| | |

ধর্ম

বউ থাকতে শ্যালিকাকে বিয়ে করা মাসুদ জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তালাকের

প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তার আপন ছোট বোনকে (শ্যালিকা) বিয়ে করে তুমুল সমালোচনার মুখে টিকটকার ও আইনজীবীর সহকারী মো. মাসুদ রানা জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি তার নতুন স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে লাইভে এসে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেন ও হাত জোড় করে সবার কাছে ক্ষমা চান।

মাসুদ রানা লাইভে এসে  জানান, তাদের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল প্রথম স্ত্রীকে বহাল রেখেই আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করা। প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শ্যালিকাকে বিয়ে করলে হয়তো এ নিয়ে আইনি বা সামাজিক প্রশ্ন উঠত না—যা তার জানা ছিল না।

তিনি বলেন, ‘যদি বুঝতাম এমন সম্পর্ক সমাজের চোখে অপরাধ এবং ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম, তবে আমরা কখনোই এ ধরনের ঘটনা ফেসবুকে প্রকাশ করতাম না।

বুঝে শুনে কেউ আগুনে হাত দেয় না।’ সমাজ ও পরিস্থিতি যেভাবে চাইবে, তিনি এখন সেভাবেই জীবন পরিচালনা করবেন বলেও জানান তিনি।

 

এ সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের নিয়ে ছবি ও ভিডিও প্রচার বন্ধ করার অনুরোধ জানান তিনি এবং নতুন স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।

জানা গেছে, নওগাঁর বদলগাছী সদর ইউনিয়নের বৈরাগীপাড়ায় একটি ভাড়াবাসায় প্রথম স্ত্রী মৌসুমীকে নিয়ে বসবাস করতেন মাসুদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ওই বাসায় তাদের গায়েহলুদ এবং রবিবার (২৫ অক্টোবর) প্রথম স্ত্রীর আপন ছোট বোন পূর্ণিমাকে বিয়ে করেন তিনি।

​বিয়ের পর মাসুদ রানা দাবি করেন, প্রথম স্ত্রী মৌসুমীর সম্মতি ও তার সহযোগিতাতেই তিনি পূর্ণিমাকে বিয়ে করেছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্ণিমার অন্য কারো সঙ্গে বিয়ে হলে তাদের পূর্বে ধারণ করা কিছু টিকটক ভিডিও নিয়ে তাকে হয়রানির শিকার হতে পারে ভেবে তিনি তাকে বিয়ে করেন।

তবে, বিয়ের পর দুই স্ত্রীকে নিয়ে তোলা একাধিক ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে দুই বোনকে বিয়ের জেরে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন মাসুদ।

এ সময় প্রথম স্ত্রীর উপস্থিতিতে শ্যালিকাকে বিয়ে করার প্রতিবাদে স্থানীয়রা ওই তার মুখে চুন-কালি মেখে এলাকা থেকে বের করে দেন।

ক্যাটাগরি